ঝমঝম পানির পরিক্ষা করে বিজ্ঞানীরা অবাক। কি আছে এই কুপে ও পানিতে জেনে আসুন


বিজ্ঞানীরা ! বাদশাহ খালেদের শাসনামলে 

ষাটের দশকে আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে জম জম কুপটি পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরিষ্কারের কাজটি তত্বাবধান করেছিলেন প্রকৌশলী "ইয়াহইয়া কোশক"।


২৪ জন ডুবুরি কূপের তলদেশে গিয়েছিলেন তা পরীক্ষা- নিরীক্ষা করার জন্য। ডুবুরিরা দেখতে পান সেখানে রং-বেরংয়ের মাটির স্তর জমাট বেঁধে আছে।আর অবিরাম নির্গত পানিকে পরিশোধন করছে । তারা আল্লাহর 

এ কুদরত দেখে বিস্মিত হন ।   


বর্তমানে জম জম কূপের গভীরতা ৫১ ফুট।


এক নজরে জম জম কূপ:


১.আল্লাহ তাআলার অসীম কুদরতে ৪০০০ বছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছিল ।


২.ভারী  পানি উত্তোলনের মোটরের 

সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার 

পানি উত্তোলন করার পরও পানি ঠিক 

সৃষ্টির সূচনাকালের ন্যায় ।


৩.পানির স্বাদ পরিবর্তন হয়নি , 

জন্মায়নি কোন ছত্রাক বা শৈবাল ।


৪.সারাদিন পানি উত্তোলন শেষে , মাত্র ১১ মিনিটেই আবার পূর্ণ হয়ে যায় কূপটি ।


৫.এই কূপের পানি কখনও শুকায়নি, সৃষ্টির পর থেকে একই রকম আছে এর পানি প্রবাহ, এমনকি হজ্ব মওসুমে পানির ব্যবহার কয়েক গুন বেড়ে যাওয়া সত্বেও এই পানির স্তর কখনও নিচে নামে না ।


৬.সৃষ্টির পর থেকে এর গুনাগুন, স্বাদ ও এর মধ্যে বিভিন্ন উপাদান একই পরিমানে আছে।


৭.এই কূপের পানির মধ্যে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সল্ট এর পরিমান অন্যান্য পানির থেকে বেশী, এজন্য এই পানি শুধু পিপাসাই মেটায় না, এই পানি ক্ষুধাও 

নিবারণ করে ।


৮.এই পানিতে ফ্লুরাইডের পরিমান বেশী থাকার কারণে এতে কোন জীবানু জন্মায় না ।


৯.এই পানি পান করলে সকল 

  ক্লান্তি দূর হয়ে যায় ।


সুবহানআল্লাহ ।।


---------সুত্র উইকিপিডিয়া।

Post a Comment

0 Comments